crickex-এ ক্রিকেট বেটিং — T20, ODI ও টেস্টে সেরা মার্কেটে বাজি ধরুন
BPL থেকে IPL, T20 World Cup থেকে টেস্ট সিরিজ — crickex-এ প্রতিটি ফরম্যাটের প্রতিটি মুহূর্তে বাজি ধরার সুযোগ রয়েছে। লাইভ অডস, একাধিক মার্কেট এবং সহজ পেমেন্ট পদ্ধতিতে বেটিং শুরু করুন।
ক্রিকেটের তিনটি ফরম্যাট ও বড় টুর্নামেন্ট
বাংলাদেশে ক্রিকেট শুধু খেলা নয় — এটি একটি অনুভূতি। crickex-এ ক্রিকেট বেটিংয়ের কেন্দ্রে রয়েছে তিনটি ফরম্যাট, প্রতিটির নিজস্ব গতি ও কৌশল।
T20 হলো সবচেয়ে দ্রুতলয়ের ফরম্যাট — মাত্র ২০ ওভারে পুরো ম্যাচ। প্রতিটি বলেই পরিস্থিতি বদলে যায়, তাই বেটিং মার্কেটও সবচেয়ে বেশি। BPL (বিপিএল) এবং IPL এই ফরম্যাটেই হয়, বাংলাদেশি দর্শকদের কাছে যা সবচেয়ে জনপ্রিয়। T20 World Cup-এ বাংলাদেশ টাইগার্সের ম্যাচগুলো crickex-এ আলাদা মনোযোগ পায়।
ODI-তে ৫০ ওভারের ব্যবধানে খেলা হয়, ফলে রান-রেট, অংশীদারিত্ব এবং মিড-ইনিংস কৌশলের ওপর ভিত্তি করে বাজি ধরার সুযোগ বেশি। টেস্ট ক্রিকেট পাঁচ দিনের ধৈর্যের পরীক্ষা — এখানে ড্র-ও একটি ফলাফল, যা ODI বা T20-তে নেই। টেস্টে ম্যাচ উইনার মার্কেটে তিনটি অপশন থাকে: দল A জেতা, দল B জেতা অথবা ড্র।
ফুটবল ও অন্যান্য স্পোর্টসে বেটিং
crickex-এ ক্রিকেটের পাশাপাশি ফুটবলেও বাজি ধরা যায়। ফুটবলে ম্যাচের সময় নির্দিষ্ট — ৯০ মিনিট (আর অতিরিক্ত সময়)। ড্র এখানে সাধারণ ফলাফল, তাই ম্যাচ উইনার মার্কেটে সবসময় তিনটি অপশন থাকে: দল A জয়, দল B জয়, ড্র। ক্রিকেটের T20 ফরম্যাটে কোনো ড্র হয় না — সেখানে শুধু দুটি অপশন।
ফুটবলে গোল-ভিত্তিক মার্কেট (যেমন ওভার/আন্ডার ২.৫ গোল) বেটিংয়ে বেশি দেখা যায়, যেখানে ক্রিকেটে রান-ভিত্তিক মার্কেট বেশি প্রচলিত। ক্রিকেটে উইকেট, পার্টনারশিপ ও পাওয়ার-প্লে ওভারের জন্য আলাদা মার্কেট থাকে — ফুটবলে এই ধরনের ইন-গেম বিভাজন কম।
জনপ্রিয় বেটিং মার্কেট ও সাধারণ উদাহরণ
crickex-এ ক্রিকেট বেটিংয়ে নিচের মার্কেটগুলো সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়। প্রতিটির সংক্ষিপ্ত বিবরণ ও একটি করে সাধারণ উদাহরণ দেওয়া হলো।
ম্যাচ উইনার
কোন দল ম্যাচ জিতবে সেটি বাছাই করতে হয়। T20 ও ODI-তে দুটি অপশন, টেস্টে তিনটি (ড্র সহ)।
উদাহরণ: দল A বনাম দল B — আপনি দল B-কে বাছাই করলেন। দল B জিতলে আপনার বাজি সফল।
টস উইনার
ম্যাচ শুরুর আগে কোন দল টস জিতবে সেটির ওপর বাজি। ম্যাচের ফলাফলের সাথে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই।
উদাহরণ: দল A টস জিতলে আপনার বাজি সফল, নাহলে নয় — ম্যাচ শুরুতেই ফলাফল নির্ধারিত হয়।
টপ ব্যাটসম্যান
নির্দিষ্ট ইনিংসে কোন ব্যাটার সবচেয়ে বেশি রান করবেন সেটি বাছাই করতে হয়।
উদাহরণ: দল A-র পক্ষে তিনজন ব্যাটারের মধ্যে যাকে সেরা মনে হয় তাকে বাছাই করুন।
টোটাল রান — ওভার/আন্ডার
একটি ইনিংসে বা পুরো ম্যাচে মোট রান একটি নির্দিষ্ট সংখ্যার বেশি হবে (ওভার) নাকি কম হবে (আন্ডার) সেটি বাছাই করতে হয়।
উদাহরণ: মোট রান ১৬০-র বেশি হবে — ওভার বাছাই করলে ১৬১+ রানে জয়।
টপ বোলার
কোন বোলার নির্দিষ্ট ইনিংসে সবচেয়ে বেশি উইকেট নেবেন সেটির ওপর বাজি।
উদাহরণ: দল B-র বোলিং লাইনআপ থেকে সেরা বোলার বাছাই করুন — সর্বোচ্চ উইকেট পেলে জেতেন।
মাল্টি বেট
একাধিক বাজি একসাথে যোগ করে একটি মাল্টি বেট তৈরি করতে পারেন। সব নির্বাচন সঠিক হলেই জয়, যেকোনো একটি ভুল হলে পুরো বাজি হারাবেন।
উদাহরণ: তিনটি আলাদা ম্যাচে তিনটি দলকে বাছাই — তিনটিই জিতলে মোট অডসের গুণফলে রিটার্ন।
পাওয়ার-প্লে মার্কেট
T20-তে প্রথম ৬ ওভারে কত রান হবে সেটির ওপর আলাদা মার্কেট থাকে। দ্রুত উইকেট পড়লে বা বড় হিট হলে এই মার্কেটে বড় পার্থক্য হয়।
নেক্সট উইকেট মার্কেট
লাইভ বেটিংয়ে পরবর্তী উইকেট কীভাবে পড়বে — বোল্ড, ক্যাচ, রান আউট — সেটির ওপরও বাজি রাখা যায়। এই মার্কেটটি একচেটিয়াভাবে ইন-প্লে বেটিংয়ের অংশ।
ডেসিমাল, ফ্র্যাকশনাল ও আমেরিকান অডস — একই জিনিস তিনভাবে
crickex-সহ যেকোনো বেটিং প্ল্যাটফর্মে তিন ধরনের অডস ফরম্যাট দেখা যায়। তিনটিই একই সম্ভাবনা প্রকাশ করে, শুধু লেখার ধরন আলাদা। একটি সহজ উদাহরণ দিয়ে বোঝা যাক।
ডেসিমাল 3.00 = ফ্র্যাকশনাল 2/1 = আমেরিকান +200। বাজি জিতলে মোট ফেরত ৳৩,০০০ (৳২,০০০ লাভ + ৳১,০০০ মূল বাজি)। বাজি হারলে ৳১,০০০ যাবে।
ডেসিমাল 1.25 = ফ্র্যাকশনাল 1/4 = আমেরিকান -400। আমেরিকান মাইনাস অডস মানে ১০০ টাকা লাভ করতে কত টাকা বাজি রাখতে হবে তা বোঝায়। ৳১,০০০ বাজিতে মোট ফেরত ৳১,২৫০ (৳২৫০ লাভ)।
সংক্ষেপে: ডেসিমাল অডস সরাসরি মোট ফেরত দেখায় (বাজি সহ); ফ্র্যাকশনাল লাভ বনাম বাজি দেখায়; আমেরিকান ফরম্যাটে প্লাস মানে ১০০-তে কত লাভ, মাইনাস মানে কত বাজিতে ১০০ লাভ। crickex-এ বেটিং টিপস পাতায় এই ফরম্যাটের বিস্তারিত ব্যাখ্যা রয়েছে।
ম্যাচ চলাকালীন ইন-প্লে বেটিং — উইকেট ও ওভারে অডস বদলায়
ম্যাচ শুরু হওয়ার আগে যে অডস দেখা যায়, ম্যাচ শুরু হলে তা প্রতি মুহূর্তে পরিবর্তিত হতে থাকে। ইন-প্লে বেটিংয়ে এই পরিবর্তনটাই মূল আকর্ষণ।
ধরুন দল A ব্যাট করছে — পাওয়ার-প্লেতে দুটি উইকেট পড়ে গেল। এই মুহূর্তে দল A-র জয়ের অডস বেড়ে যাবে এবং দল B-র অডস কমবে। কারণ উইকেট হারালে রান করা কঠিন হয়ে পড়ে।
অন্যদিকে, যদি দল A-র দুজন ব্যাটার বড় পার্টনারশিপ গড়েন, তাহলে শেষ ওভারে রানের প্রয়োজন কমে আসে এবং দল A-র জয়ের অডস কমতে থাকে — মানে দল A জেতার সম্ভাবনা বাড়ছে বলে বেটিং প্ল্যাটফর্ম দেখাচ্ছে।
প্রতিটি ওভারের পরে বা বড় উইকেটের পরে অডস সামঞ্জস্য হয়। T20-তে এই পরিবর্তন সবচেয়ে দ্রুত ঘটে — একটি সিক্স বা একটি উইকেট পুরো চিত্র বদলে দিতে পারে। ইন-প্লে বেটিং বিনোদনের উদ্দেশ্যে উপভোগ করুন এবং সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে নিজের বাজেটের কথা মাথায় রাখুন।
crickex-এ ক্রিকেট বেটিংয়ের কিছু ব্যবহারিক পরামর্শ
-
ফরম্যাট বুঝে বাজি ধরুন। T20 ও টেস্টের বেটিং মার্কেট আলাদা — টেস্টে ড্র মার্কেট থাকে, T20-তে থাকে না। কোন ফরম্যাটে বাজি ধরছেন সেটা আগে নিশ্চিত করুন।
-
একাধিক মার্কেট ব্যবহার করুন। শুধু ম্যাচ উইনারে না থেকে টপ ব্যাটসম্যান বা ওভার/আন্ডার মার্কেটও দেখুন — এতে বিকল্প বাড়ে।
-
মাল্টি বেটে সতর্ক থাকুন। মাল্টি বেটে সব নির্বাচন সঠিক হলে রিটার্ন বড় হয়, কিন্তু একটি ভুল হলে পুরো বাজি যায়। বিস্তারিত জানতে crickex বেটিং টিপস পাতাটি পড়ুন।
-
লাইভ বেটিংয়ে বাজেট ঠিক রাখুন। ইন-প্লে বেটিংয়ে অডস দ্রুত বদলায় — তাড়াহুড়ো করে বাজি না রেখে নির্দিষ্ট বাজেটে থাকুন।
-
বেটিং বিনোদনের জন্য। ক্রিকেট বেটিং আনন্দের একটি উপায় — মুনাফার গ্যারান্টি হিসেবে না দেখে বিনোদন হিসেবে উপভোগ করুন। দায়িত্বশীল বেটিং নিয়ে আরও পড়তে পারেন দায়িত্বশীল খেলা পাতায়।
-
ব্যাকারাত ও অন্য খেলা। ক্রিকেটের পাশাপাশি crickex-এ ক্যাসিনো গেমও রয়েছে — বিশেষত ব্যাকারাত বেটিং বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের কাছে জনপ্রিয়।
crickex-এ শুরু করুন — সহজ ডিপোজিট, সাথে বোনাস
crickex-এ অ্যাকাউন্ট খুলে প্রথম ডিপোজিটে ২০০% বোনাস পান, সর্বোচ্চ ৳২০,০০০ পর্যন্ত (ওয়েজারিং ১০ গুণ)। সর্বনিম্ন ডিপোজিট মাত্র ৳৩০০ — bKash, Nagad, Rocket বা ব্যাংক ট্রান্সফারে। উইথড্র সাধারণত ৫-৩০ মিনিটের মধ্যে হয়। VIP সদস্যরা সাপ্তাহিক ক্যাশব্যাকও পান — Bronze থেকে Gold পর্যন্ত তিনটি স্তরে। ২১+ বয়স প্রযোজ্য।
crickex Login করুন